উত্তম চাকমা, মহালছড়ি (খাগড়াছড়ি):
তাঁনা পাচঁ দিন বৃষ্টিতে চেঙ্গী নদীর পানি বৃদ্ধিতে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়িতে অতি ভারি বর্ষনের ফলে মহালছড়ির উপজেলা সদর থেকে মুবাছড়ি ইউনিয়নের একমাত্র সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছন্ন এবং সমতল এলাকাগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।
৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) মহালছড়ি উপজেলা সদরের একমাত্র যোগাযোগের রাস্তাটি ডুবে যাওয়া ভোগান্তিতে পড়েছে মুবাছড়ি ইউনিয়নের অসুস্হ মানুষ রোগী,বৃদ্ধ,জন -সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী,সরকারি -বেসরকারি বিভিন্ন অধিদপ্তরে কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
স্থানীয়রা বলেন গত বছর বর্ষা মৌসুমে কাপ্তাই পাড়া ব্রিজটি ভেঙে যায়। এক বছর হলো পরষ্পর শোনা যায় বরাদ্দ (বাজেট) আসে চলে যায়।এখন নতুন ব্রিজের কাজ চলমান। শুক্ন মৌসুমের সময়ে ব্রিজটি কাজ শেষ করতে পারতো এই রকম ভোগান্তিতে পরতে হতে না। ভোগান্তিতে মুবাছড়ি ইউনিয়নে ৩০/৩৫ টি গ্রামের মানুষ। নতুন ব্রিজটি কাজ চলমান থাকায় বিকল্প রাস্তাটি ডুবে গিয়ে মানুষের দৈনন্দিন কষ্ট আরও বেরে গিয়ে ভোগান্তিতে বৃদ্ধ-রোগী, কৃষক- ব্যবসায়ী।
মুবাছড়ি ইউনিয়ন শান্তিপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা অনুপন চাকমা জানান, গতকাল সন্ধ্য সময়ে আমার স্ত্রী রিপা চাকমাকে শারীরিক অসুস্থ দেখা দিলে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স যাওয়ার উদ্দেশ্য রওনার হয়। কাপ্তাই পাড়া ব্রিজে গিয়ে দেখি বিকল্প রাস্তাটি পানি বৃদ্ধিতে ডুবে যায়। পরে সদরে বন্ধু- বান্ধবদের ফোনে করে গাড়ি একটা পাঠানো বলি কোন গাড়ি না পেয়ে সিঙ্গিনালা ফার্মেসি থেকে ঔষধ (চিকিৎসা) নিয়েনি বাড়িতে ফিরতে হয়।এখন মুবাছড়ি মানুষ বড় ধরনের রোগীদের ভোগান্তির কোন শেষ নেই। এই কাপ্তাই পাড়া ব্রিজটি না থাকার কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হবে অসুস্থ মানুষ রোগী- বৃদ্ধ, প্রেগন্যান্ট মা-বোনেরা। এই সমস্যা সমাধান কবে হবে।
কলা, হলুদ ব্যবসায়ী দিপন চাকমা জানান আমার গত সপ্তাহে তিন গাড়ি হলুদ ডেলিভারি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তুু দুঃখের বিষয় বৃষ্টি কারণে ডেলিভারি দিতে পারিনি। এখন আরও বড় ধরনে সমস্যা ও ভোগান্তিতে পরলাম আমাদের মত ছোট-বড় ব্যবসায়ী বাগান -মালিক, কৃষক বড় ধরনের ক্ষতি হবে। আরও জানান মুবাছড়ি ইউনিয়ন থেকে প্রতি সপ্তাহে মহালছড়ি হাত বাজার দিনে ১৪/১৫ গাড়ি কাঁচামাল বাজারে আছে।
মহালছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীসহ বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃত্ববৃন্ত পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বন্যার্ত ও পাহাড় ধষদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং সবার জন্য শুকনা খাবারসহ নিত্যপূণ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ